কাসাম ব্রিগেডের কমান্ডার ও মুখপাত্র আবু ওবায়দা শহীদ

গাজীপুর নিউজ ২৪|| প্রকাশিত: ১২:০৬ এম, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫  
কাসাম ব্রিগেডের কমান্ডার ও মুখপাত্র আবু ওবায়দা শহীদ

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আবু ওবায়দা নিহত হয়েছেন বলে ইসরায়েল দাবি করার কয়েক মাস পর সোমবার হামাস তাদের সশস্ত্র শাখার এই মুখপাত্রের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। টেলিগ্রামে আল-কাসাম ব্রিগেডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক ভিডিও বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করছি... লাখ লাখ মানুষের প্রিয় সেই মুখোশধারী ব্যক্তিকে... কাসাম ব্রিগেডের মহান শহীদ কমান্ডার ও মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে।" ইসরায়েল জানিয়েছিল, গত ৩০ আগস্ট গাজা শহরের আল-রিমাল এলাকায় এক বিমান হামলায় তারা আবু ওবায়দাকে হত্যা করেছে। আল-কাসাম ব্রিগেডের বর্তমান মুখপাত্র গাজা উপত্যকায় হামাস নেতা মোহাম্মদ সিনওয়ারের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছেন। ইসরায়েল গত জুনে জানিয়েছিল, তারা মধ্য গাজার খান ইউনিসের একটি সুড়ঙ্গে সিনওয়ারের মরদেহ শনাক্ত করেছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, গত ১৩ মে তাকে শহীদ করা হয়েছিল।মোহাম্মদ দেইফের মৃত্যুর পর মোহাম্মদ সিনওয়ার আল-কাসাম ব্রিগেডের সামরিক পরিষদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। আল-কাসাম মুখপাত্র আরো কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারের মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন— রাফাহ ব্রিগেডের মোহাম্মদ শাবানা; সামরিক উৎপাদন বিভাগের রায়েদ সাদ এবং অস্ত্র ও যুদ্ধ সরঞ্জাম পরিষেবা পরিচালনা কারী হাকাম আল-এসা চলতি মাসে গাজা শহরে ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদ নিহত হন, যা ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মার্কিন সমর্থিত অস্ত্রবিরতির কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ছিটমহলটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ওই হামলায় আরও ৫ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে গাজা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায় নিয়ে আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা আগে আল-কাসাম ব্রিগেডের এই বিবৃতিটি প্রকাশিত হলো। এই শান্তি পরিকল্পনার একটি বড় বাধা হলো হামাসের নিরস্ত্রীকরণে অস্বীকৃতি। আল-কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র বলেন, আমরা ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন (হামাস) নিশ্চিত করছি যে— আমাদের নেতা, প্রতীক এবং নিপীড়িত ফিলিস্তিনি সন্তানদের হত্যা করার মাধ্যমে দখলদারদের এই অপরাধ আমাদের ইচ্ছাশক্তি, প্রতিরোধ ক্ষমতা বা সাহসিকতাকে ভাঙতে পারবে না এবং প্রতিরোধের পথ থেকে আমাদের বিচ্যুত করতে পারবে না। তিনি শপথ করে বলেন, গ্রুপটি তাদের নীতিতে অবিচল থাকবে যতক্ষণ না আমরা আমাদের পূর্ণ জাতীয় অধিকার অর্জন করি, যার প্রধান লক্ষ্য হলো আমাদের ভূমিকে মুক্ত করা এবং জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। সূত্রঃ দ্য ন্যাশনাল

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়