1. cpanelhow@gmail.com : admin :
  2. mizan20162016@yahoo.com : mahabur :
  3. mizan747474@gmail.com : monir :
  4. mizangazipur093@gmail.com : sohel-2019 :
August 5, 2020, 6:46 pm
Breaking News :
কুকুরের উত্তাপে অতিষ্ঠ সিংহশ্রী আতঙ্কে পথচারী স্বাস্থ্যবিধি মেনে ‘টোক পেশাজীবী ফোরাম’র ভার্চ্যুয়াল মিটিং করোনায় আক্রান্ত ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল আলম রবিনের জন্য দোয়া চাইলেন মেহেদী সরকার কাপাসিয়ায় ‘জাইকার’ অর্থায়নে ইংরেজী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ইউএনও’র নির্দেশনা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও তার স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিছু মানুষ কখনও করোনায় আক্রান্ত হবে না : গবেষণা সবচেয়ে বিশুদ্ধ বাতাসের সন্ধান পেয়েছে বিজ্ঞানীরা আজ রাতের আকাশে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে রাজশাহী থিয়েটার এবং কচিপাতা থিয়েটারের একজন কর্ণধার তাজুল ইসলাম আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যক্ষ মহসীন আলী দেওয়ানের শাহাদতবার্ষিকী

বাংলাদেশের তৃতীয়বার স্বপ্নভঙ্গ

  • Update Time : Friday, September 28, 2018

এর চেয়ে আর উত্তেজনা ছড়াতে পারে না কোনো ম্যাচ! পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকল নাটক আর রোমাঞ্চ। কে হবে এবারের এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন, বাংলাদেশ না ভারত? অপেক্ষা করতে হলো চিত্রনাট্যের শেষ পর্যন্ত। অবশেষে শেষ হাসি হাসল টিম ইন্ডিয়া। চূড়ান্ত মহারণে টাইগারদের ৩ উইকেটে হারিয়ে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের মুকুট পরল রোহিত বাহিনী। এ নিয়ে সব মিলিয়ে ৭বার এশিয়ার রাজা হওয়ার গৌরব অর্জন করল তারা।অন্যদিকে, এ নিয়ে তৃতীয়বার স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের। এর আগে ২০১২ সালে ওয়ানডে ফরম্যাটে এবং ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলে টাইগাররা। প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ রানের হারে বেদনাদায়ক চিত্রনাট্য রচিত হয়। আর সবশেষ টি-টোয়েন্টি সংষ্করণে ভারতের কাছে ৮ উইকেটে হেরে দ্বিতীয়বার স্বপ্নভঙ্গ হয়। এবারো তার ব্যত্যয় ঘটল না।

এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের দেয়া ২২৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে চড়াও হয়ে খেলেন শিখর ধাওয়ান। স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছোটাতে থাকেন তিনি। তবে তার এ ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ৩৫ রানে তাকে ফিরিয়ে টাইগারদের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন নাজমুল ইসলাম অপু। সৌম্যর ক্যাচ বানিয়ে তাকে ফেরান তিনি। কিছুক্ষণ পর মুশফিকের গ্লাভসবন্দি করে আম্বাতি রাইডুকে ফেরান মাশরাফি। তাতে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরে আসে।ধাওয়ানের পর খানিক ব্যবধানে ফিরে গিয়েছিলেন রাইডু। তবে থেকে গিয়েছিলেন রোহিত। দারুণ খেলছিলেন তিনি। বাজে বল পেলেই তা সীমানাছাড়া করছিলেন। এতে দুরন্ত গতিতে ছুটছিল ভারত। তবে তাতে বাদ সাধেন রুবেল হোসেন। দলীয় ৮৩ রানে অসাধারণ এক ডেলিভেরিতে নাজমুল অপুর তালুবন্দি করে দুর্দান্ত খেলতে থাকা রোহিতকে (৪৮) ফেরান তিনি। এতে খেলায় ফেরে বাংলাদেশ।

৮৩ রানে টপঅর্ডারের ইনফর্ম ৩ ব্যাটসম্যান হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। সেখান থেকে মাহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন দিনেশ কার্তিক। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন ধোনি। হঠাৎই থামতে বাধ্য হন কার্তিক (৩৭)। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে ফেরান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এতে ফের চাপে পড়ে ভারত। সেই চাপের মধ্যেও বুক চিতিয়ে লড়েন ধোনি। এক পর্যায়ে সেই বিষদাঁতও ভেঙে দেয় টাইগাররা। দুর্দান্ত অফকাটারে তাকে ফিরিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর আরো চাপ বাড়ান মোস্তাফিজুর রহমান। এর পরই পায়ের পেশিতে টান পেয়ে (রিটায়ার্ড হার্ট) মাঠ ছাড়েন কেদার যাদব।পরে সেই চাপটা ভালোভাবে অব্যাহত রাখতে পারেননি বাংলাদেশি বোলাররা। দ্রুত ভুবনেশ্বর কুমার ও রবীন্দ্র জাদেজার জুটি ভাঙতে পারেননি তারা। শেষদিকে জাদেজাকে ফিরিয়ে একটু উত্তেজনা বাড়ান রুবেল। দুর্দান্ত খেলতে থাকা ভুবনেশ্বরকে ফিরিয়ে তাতে বাড়তি পারদ জোগান মোস্তাফিজ। টাইগারদের দৌড় ছিল সেই পর্যন্তই। শেষ অবধি ৩ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে ভারত। বাংলােদশের হয়ে মোস্তাফিজ ও রুবেল নেন ২টি করে উইকেট।

ফাইনালি লড়াইয়ে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। গোটা টুর্নামেন্টে ওপেনিং সমস্যায় ভুগছিল টাইগাররা। তা কাটিয়ে উঠতে মেহেদী হাসান মিরাজকে ওপেনিংয়ে নামিয়ে চমক দেয় টিম ম্যানেজমেন্ট। এতে যেন সমাধানের পথ খুঁজে পায় বাংলাদেশ। লিটন দাস-মিরাজ মিলে এনে দেন উড়ন্ত সূচনা। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ১২০ রান।মিরাজ শুধু সাপোর্ট দিয়ে যান। অন্য প্রান্তে ঝড়ো গতিতে রান তোলেন লিটন। তাদের জুটি ভাঙেন পার্টটাইমার কেদার যাদব। তাকে তুলে মারতে গিয়ে পয়েন্টে ধরা পড়েন মিরাজ (৩২)। এরপরই পথ হারায় বাংলাদেশ। যুজবেন্দ্র চাহালের বল ইমরুল কায়েসের প্যাডে লাগলে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। পরে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাতে দেখা যায়, বল বাইরে পিচ করে স্ট্যাম্পে আঘাত হানছে। তবে আম্পায়ার কল হওয়ায় সাজঘরে ফিরতে হয় বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে।

খানিক পরই কেদারের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে জাসপ্রিত বুমরাহর তালুবন্দি হয়ে ফেরেন ব্যাটিং স্তম্ভ মুশফিকুর রহিম। এরপর দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউটের শিকার হয়ে ফেরেন ইনফর্ম মোহাম্মদ মিঠুন। এতে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেই বিপর্যয়ের মুখে দৃঢ়তার পরিচয় দিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কুলদ্বীপ যাদবের বলে অযাচিত বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে বুমরাহর হাতে ধরা পড়েন তিনি।সতীর্থদের যাওয়া-আসার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রাখেন লিটন। শুরু থেকেই স্বভঙ্গিমায় খেলে যান তিনি। চরম বিপর্যয়ের মধ্যেই ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এ ডানহাতি ওপেনার। মাত্র ৮৭ বলে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান। করুণ পরিস্থিতিতে লড়ে যাচ্ছিলেন লিটন। শেষ পর্যন্ত বিতর্কিত আউট থামিয়ে দেয় তাকে।

সেঞ্চুরির পর হাত খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন লিটন। ঠিক সেই মুহূর্তে কুলদ্বীপের বলে মাহেন্দ্র সিং ধোনির স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। ফাঁদে পড়েন বললে ভুল হবে, তাকে ট্র্যাপে ফেলা হয়। চায়নাম্যান বোলারের বলটি মিস করলেও পা দাগের মধ্যেই ছিল লিটনের। তবু রিপ্লে দেখেন আম্পায়ার। কয়েকবার জুম করে দেখার পর তাকে আউট দিয়ে দেন তৃতীয় আম্পায়ার রড টাকার। এতে থামে তার লড়াই। এর আগে ১১৭ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ১২১ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেন প্রতিশ্রুতিশীল ও সম্ভাবনাময়ী এ ওপেনার।এতে বাংলাদেশের বড় স্কোর গড়ার স্বপ্ন কার্যত ধূলিসাৎ হয়ে যায়। পরক্ষণেই কুলদ্বীপের বলে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। শেষদিকে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন সৌম্য সরকার। আম্বাতি রাইডু ও ধোনির যৌথ প্রচেষ্টায় রানআউটে কাটা পড়লে তার লড়াইও থামে। ৪৫ বলে ১টি করে চার-ছক্কায় ৩৩ রান করে ফেরেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজে ফেরার এ ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত দেড় ওভার বাকি থাকতেই ২২২ রানে গুটিয়ে যায় মাশরাফি বাহিনী। ভারতের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন কুলদ্বীপ। ৪৫ রান খরচায় তিনি নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট ঝুলিতে ভরেন কেদার।

নিউজটি ভাল লাগলে শেয়ার করবেন প্লীজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সাংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
২৪৬,৬২১
সুস্থ
১৪১,৭৫২
মৃত্যু
৩,২৬৭
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,৬৫৪
সুস্থ
১,৮৯০
মৃত্যু
৩৩
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© All rights reserved © 2016 Gazipurnews24
Theme Customized By BreakingNews
Shares